কালজয়ী বাংলা বই-এর তালিকা

হলদে গোলাপ – স্বপ্নময় চক্রবর্তী সমাজের শরীর ও শরীরের সমাজতত্ত্ব নিয়ে এক দুঃসাহসিক উপন্যাস এই “হলদে গোলাপ”। ২০১২-১৩ সাল জুড়ে প্রয়াত ঋতুপর্ণ ঘোষ সম্পাদিত রোববার-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশকালে পাঠকসমাজ আলোড়িত হয় – যা খুব কম উপন্যাসের ক্ষেত্রেই ঘটে। কাহিনী বয়নে মানুষের লিঙ্গ পরিচয়ের সমস্যা তুলে আনতে গিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রমে খুঁজেছেন ইতিহাস, নৃ-বিজ্ঞান, সমাজতত্ত্ব, শারীরবিজ্ঞান, মনস্তত্ত্ব, জিনেটক্স, মিথ পুরাণ। এক বিশিষ্ট সমালোচক বলেছিলেন, ” স্বপ্নময়ের গল্প আমাদের শেকড় খোঁজার কোদাল।” ঐ উক্তিটির কথা মনে পড়বে উপন্যাসটি পড়তে পড়তে। এই উপন্যাসটিতে আসলে এক সংকট সংকুল মানুষের অনুভূতিগুলি চিত্রিত হয়েছে আশ্চর্য মায়াময় দক্ষতায়। কাহিনীর পরতে পরতে মিশে আছে বৈজ্ঞানিক তথ্যাবলী। শুধু বাংলা সাহিত্য কেন, সমগ্র ভারতীয় সাহিত্যে এর আগে এভাবে কোন উপন্যাস লেখা হয় নি।

১। বিষবৃক্ষ – বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়

২। চোখের বালি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৩। পথের পাঁচালি- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

৪। পদ্মা নদীর মাঝি- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

৫। পুতুল নাচের ইতিকথা- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

৬। একাত্তরের দিনগুলি- জাহানারা ইমাম

৭। পূর্ব-পশ্চিম- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

৮। কবি- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।

৯। আরন্যক- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১০। চরিত্রহীন – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১১। লালশালু- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

১২। সেই সময়- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

১৩। শ্রীকান্ত -শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১৪।জোছনা ও জননীর গল্প- হুমায়ুন আহমেদ

১৫। গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

১৬। গঙ্গা- সমরেশ বসু

১৭। নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

১৮। প্রথম আলো- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

১৯। সূর্যদীঘল বাড়ি- আবু ইসহাক

২০। রাইফেল রোটি আওরাত- আনোয়ার পাশা

২১। জননী- শওকত ওসমান

২২। খোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

২৩। মাধুকরী- বুদ্ধদেব গুহ

২৪। গোরা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

২৫। চিলেকোঠার সেপাই- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

২৬। চৌরঙ্গী – শঙ্কর

২৭। আরোগ্য নিকেতন- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

২৮। পথের দাবি- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

২৯। আনন্দমঠ – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

৩০। মিসির আলী অমনিবাস- হুমায়ুন আহমেদ

৩১। হলদে গোলাপ – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

৩২। লোটা কম্বল- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

৩৩। নন্দিত নরকে- হুমায়ুন আহমেদ

৩৪। দীপু নাম্বার টু- মুহম্মদ জাফর ইকবাল

৩৫। মা- আনিসুল হক

৩৬। আট কুঠরি নয় দরজা- সমরেশ মজুমদার

৩৭। কড়ি দিয়ে কিনলাম- বিমল মিত্র

৩৮। বিবর- সমরেশ বসু

৩৯। উত্তরাধিকার- সমরেশ মজুমদার

৪০। কালবেলা- সমরেশ মজুমদার

৪১। কৃষ্ণকান্তের উইল- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

৪২। সাতকাহন- সমরেশ মজুমদার

৪৩। গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

৪৪। চতুষ্পাঠী- স্বপ্নময় চক্রবর্তী

৪৫। মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

৪৬। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক

৪৭। নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি – শঙ্কর

৪৮। দূরবীন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

৪৯। শুন বরনারী- সুবোধ ঘোষ।

৫০। পার্থিব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

৫১। কালপুরুষ- সমরেশ মজুমদার

৫২। মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

৫৩। তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু

৫৪। পাক সার জমিন সাদ বাদ- হুমায়ুন আজাদ

৫৫। ক্রীতদাসের হাসি- শওকত ওসমান

৫৬। শাপমোচন – ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

৫৭। বসুধারা- তিলোত্তমা মজুমদার

৫৮। দেশে বিদেশে- সৈয়দ মুজতবা আলী

৫৯। তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মন

৬০। কাশবনের কন্যা- শামসুদ্দিন আবুল কালাম

৬১। বরফ গলা নদী- জহির রায়হান

৬২। বনফুলের গল্প সমগ্র

৬৩। কাঁদো নদী কাঁদো- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

৬৪। দৃষ্টিপাত- যাযাবর

৬৫। কেয়া পাতার নৌকা- প্রফুল্ল রায়

৬৬। বিষাদ সিন্ধু- মীর মোশাররফ হোসেন

৬৭। শিবরাম গল্পসমগ্র

৬৮।

৬৯।

৭০। নিশি কুটুম্ব- মনোজ বসু।

৭১।

৭২। প্রজাপতি – সমরেশ বসু

৭৩। ভলগা থেকে গঙ্গা- রাহুল সাংকৃত্যায়ন

৭৪। মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

৭৫। হুযুর কেবলা- আবুল মনসুর আহমেদ

৭৬। ওঙ্কার- আহমদ ছফা

৭৭। আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর- আবুল মনসুর আহমদ

৭৮।

৭৯।

৮০। টেনিদা- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

৮১। ।

৮২।

৮৩।

৮৪।

৮৫।

৮৬। পরশুরামের সব গল্প

৮৭। কবর- মুনীর চৌধুরী

৮৮।

৮৯। হিমু অমনিবাস – হুমায়ুন আহমেদ

৯০।

৯১। আমার বন্ধু রাশেদ- মুহম্মদ জাফর ইকবাল

৯২। অসমাপ্ত আত্মজীবনী – জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান

৯৩। শঙ্কু সমগ্র- সত্যজিৎ রায়

৯৪। মাসুদ রানা- কাজী আনোয়ার হোসেন।

৯৫। ফেলুদা সমগ্র- সত্যজিৎ রায়

৯৬। তিন গোয়েন্দা- সেবা প্রকাশনী

৯৭। কিরীটী সমগ্র- নীহাররঞ্জন গুপ্ত

৯৮। কমলাকান্তের দপ্তর- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

৯৯।

১০০।

১০১।

১০২।

১০৩।

১০৪। বহুব্রীহি – হুমায়ুন আহমেদ

১০৫। দেবদাস – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১০৬। মধ্যাহ্ন- হুমায়ুন আহমেদ

১০৭। বাদশাহ নামদার- হুমায়ুন আহমেদ

১০৮। বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার- মুহম্মদ জাফর ইকবাল

১০৯। হাসুলিবাকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

১১০। গল্পগুচ্ছ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১১১। শেষ নমস্কার- সন্তোষ কুমার ঘোষ

১১২। হাঙ্গর নদী গ্রেনেড- সেলিনা হোসেন

১১৩। আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু- শহীদুল জহির

১১৪। সাহেব বিবি গোলাম- বিমল মিত্র

১১৫।

১১৬। কেয়া পাতার নৌকো- প্রফুল্ল রায়

১১৭।পুষ্প ও বিহঙ্গ পিরাণ- আহমদ ছফা

১১৮। আনোয়ারা- নজীবর রহমান

১১৯। চাপাডাঙ্গার বউ- তারাশঙ্খর বন্দ্যোপাধ্যায়

১২০। চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ

১২১। কপালকুণ্ডলা – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১২২। প্রথম প্রতিশ্রুতি – আশাপূর্ণা দেবী

১২৩। মরুস্বর্গ- আবুল বাশার

১২৪। রাজাবলী – আবুল বাশার

১২৫। কালো বরফ- মাহমুদুল হক

১২৬। নিরাপদ তন্দ্রা- মাহমুদুল হক

১২৭। সোনার হরিণ নেই- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

১২৮। যদ্যপি আমার গুরু- আহমদ ছফা।

১২৯। মৃতুক্ষুধা- কাজী নজরুল ইসলাম

১৩০। প্রদোষে প্রাকৃতজন’ – শওকত আলী।

১৩১। শেষের কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১৩২। লৌহকপাট -জরাসন্ধ(চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)

১৩৩। অন্তর্লীনা- নারায়ণ সান্যাল।

১৩৫। হাজার চুরাশির মা- মহাশ্বেতা দেবী

১৩৬। যাও পাখি -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

১৩৭।তবুও একদিন- সুমন্ত আসলাম।

১৩৮। অন্তর্জলী যাত্রা- কমলকুমার মজুমদার

১৩৯। ব্যোমকেশ সমগ্র- শরদিন্দু

১৪০। অন্য দিন- হুমায়ূন আহমেদ

১৪১।

১৪২।

১৪৩। বিন্দুর ছেলে- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১৪৪। নামগন্ধ – মলয় রায় চৌধুরী

১৪৫। মতিচূর – বেগম রোকেয়া

১৪৬। সুলতানার স্বপ্ন- বেগম রোকেয়া

১৪৭। চাঁদের পাহাড়- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১৪৮। অপুর সংসার- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৪৯। কারুবাসনা – জীবনানন্দ দাশ

১৫০। বেনের মেয়ে- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

১৫১। আবদুল্লাহ – কাজী ইমদাদুল হক

১৫২। সূবর্ণলতা- আশাপূর্ণা দেবী

১৫৩। ঢোঁড়াই চরিত মানস- সতিনাথ ভাদুরী

১৫৪। উপনিবেশ – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

১৫৫।

১৫৬। পদ্মার পলিদ্বীপ – আবু ইসহাক

১৫৭। নারী- হুমায়ুন আজাদ

১৫৮। বিত্ত বাসনা- শংকর

১৫৯। সংশপ্তক- শহিদুল্লা কায়সার

১৬০! জীবন আমার বোন- মাহমুদুল হক

১৬১।ক্রাচের কর্নেল- শাহাদুজ্জামান

১৬২।১৯৭১- হুমায়ূন আহমেদ

১৬৩।দেয়াল- হুমায়ূন আহমেদ

১৬৪।পরিনীতা- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১৬৫।উত্তম পুরুষ-রশীদ করীম

১৬৬।ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা- শিবরাম চক্রবর্তী

১৬৭।শতকিয়া-সুবোধ ঘোষ

১৬৮।নিষিদ্ধ লোবান- সৈয়দ শামসুল হক

১৬৯। নীল দংশন – সৈয়দ শামসুল হক

১৭০। কুকুর সম্পর্কে দু একটি কথা যা আমি জানি- সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়

১৭১। অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী- আহমদ ছফা

১৭২। ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল – হুমায়ুন আজাদ

১৭৩। শুভব্রত ও তার সম্পর্কিত সুসমাচার, রাজনীতিবিদগণ -হুমায়ুন আজাদ

১৭৪। ১০,০০০, এবং আরো একটি ধর্ষণ – হুমায়ুন আজাদ

১৭৫। নভেরা- হাসনাত আবদুল হাই

১৭৬। দুচাকার দুনিয়া- বিমল মুখার্জী

১৭৭। চাকা- সেলিম আল দীন

১৭৮। হার্বাট- নবারুণ ভট্টাচার্য

১৭৯। নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে- অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

১৮০। ন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী।

১৮১। কেরী সাহেবের মুন্সী- প্রমথনাথ বিশী

১৮২। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক

১৮৩। পঞ্চম পুরুষ- বাণি বসু

১৮৫। অলীক মানুষ- সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ

১৮৬। আমি বীরাঙ্গনা বলছি- নীলিমা ইব্রাহিম

১৮৭। পুত্র পিতাকে – চানক্য সেন

১৮৮। দোজখনামা- রবি শংকর বল

১৮৮। মাতাল হাওয়া- হুমায়ূন আহমেদ

১৮৯।বিষাদবৃক্ষ – মিহিরসেন গুপ্ত

১৯০। অলৌকিক নয়,লৌকিক – প্রবীর ঘোষ

১৯১। সৃষ্টি রহস্য – আরজ আলী মাতুব্বর।

১৯২। ফালি ফালি ক’রে কাটা চাঁদ – হুমায়ুন আজাদ

১৯৩। নিমন্ত্রণ – তসলিমা নাসরিন

১৯৪। বসুধারা- তিলোত্তমা মজুমদার

১৯৫।উপকণ্ঠ – গজেন্দ্র কুমার মিত্র

১৯৬। অসাধু সিন্ধার্থ- জগদীশ গুপ্ত

১৯৭। কুহেলিকা- কাজী নজরুল ইসলাম

১৯৮। সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু

১৯৯। ঈশ্বরের বাগান- অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

২০০। আয়না- আবুল মনসুর আহমদ

২০১। ক্রান্তিকাল- প্রফুল্ল রায়

২০২।

২০৩। গেরিলা থেকে সম্মুখ যুদ্ধে – মাহবুব আলম

২০৪। একাত্তরের ডায়েরী- বেগম সুফিয়া কামাল

২০৫। রাজাকারের মন (১ম ও ২য় খন্ড) – মুনতাসীর মামুন

২০৬। ভিনকোয়েস্ট জেনারেল – মুনতাসীর মামুন

২০৭। যাপিত জীবন – সেলিনা হোসেন

২০৮। খেলারাম খেলে যা-সৈয়দ শামসুল হক

২০৯। সোনালী হরিণ নেই- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *