ভারতের বিভিন্ন সংস্কার আন্দোলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং SAQ । WB TET History

0
Bharoter Bivinno Sanskar Andolan

ভারতের বিভিন্ন সংস্কার আন্দোলন   

  • সময়কাল: খ্রিস্টীয় ৬ষ্ঠ–৯ম শতক
  • অঞ্চল: তামিলনাড়ু, দক্ষিণ ভারত
  • আলভার = বিষ্ণুভক্ত সন্ত (১২ জন)
  • নায়নার = শিবভক্ত সন্ত (৬৩ জন)
  • ভক্তি আন্দোলনের আদি সূচনা দক্ষিণ ভারতে এঁদের হাত ধরে হয়েছিল।
  • সংস্কৃতের পরিবর্তে তামিল ভাষায় ধর্মীয় গান ও পদ রচনা করেন।
  • জাতিভেদ প্রথার বিরোধিতা করেছিলেন।
  • ঈশ্বরের প্রতি ব্যক্তিগত প্রেম ও ভক্তির উপর জোর দেন।
  • বিখ্যাত গ্রন্থ:
    • আলভারদের রচনা → নালায়ির দিব্য প্রবন্ধম
    • নায়নারদের রচনা → তেভারম
  • পরবর্তীকালে রামানুজ, মাধবাচার্য প্রমুখের দর্শনের ভিত্তি তৈরি করে।

  • প্রতিষ্ঠাতা: বসবেশ্বর (বাসব)
  • সময়: দ্বাদশ শতক
  • অঞ্চল: কর্ণাটক
  • প্রধান গ্রন্থ: বচন সাহিত্য
  • মূল বক্তব্য:
    • জাতিভেদ প্রথার বিরোধিতা
    • ব্রাহ্মণ্যবাদ ও যজ্ঞের বিরোধিতা
    • নারী-পুরুষ সমতার প্রচার
    • মূর্তিপূজার বিরোধিতা
  • অনুসারীরা গলায় “ইষ্টলিঙ্গ” ধারণ করতেন।
  • এই আন্দোলন দক্ষিণ ভারতের সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

  • প্রতিষ্ঠাতা: দাদু দয়াল
  • অঞ্চল: রাজস্থান
  • সময়: ১৬শ শতক
  • কবীরের ভাবধারায় প্রভাবিত।
  • “নিপখ” বা নিরপেক্ষ ধর্মীয় দর্শনের প্রচার করেন।
  • হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের কথা বলেন।
  • বাহ্যিক আচার নয়, অন্তরের ভক্তিকে গুরুত্ব দেন।
  • দাদুপন্থীরা পরে সামাজিক সংস্কারমূলক কাজেও যুক্ত হয়।

  • অঞ্চল: উত্তর ভারত
  • ভাষা: ব্রজভাষা
  • ভক্তিধারা: সগুণ বৈষ্ণব ভক্তি
  • উপাস্য: শ্রীকৃষ্ণ
  • বিখ্যাত গ্রন্থ: সুরসাগর
  • কৃষ্ণের বাল্যলীলা তাঁর কাব্যের মূল বিষয়।
  • সাধারণ মানুষের মধ্যে কৃষ্ণভক্তি জনপ্রিয় করেন।

  • ভাষা: অবধী
  • বিখ্যাত গ্রন্থ: রামচরিতমানস
  • রামায়ণকে সাধারণ মানুষের ভাষায় রচনা করেন।
  • ভক্তি আন্দোলনের প্রসারে বিশাল ভূমিকা পালন করেন।
  • রামকে আদর্শ রাজা ও নৈতিকতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন।

  • সুফিবাদের রক্ষণশীল ধারা
  • ভারতে জনপ্রিয় করেন: খাজা বাকি বিল্লাহ
  • প্রধান নেতা: শেখ আহমদ সিরহিন্দি
  • উপাধি: “মুজাদ্দিদ আলিফ সানি”
  • আকবরের “দীন-ই-ইলাহি”-র বিরোধিতা করেন।
  • শরিয়ত মেনে চলার উপর জোর দেন।
  • মুঘল দরবারে ইসলামের রক্ষণশীল ধারা পুনরুজ্জীবিত করেন।

সমাজ ও ধর্ম সংস্কার আন্দোলন

বাংলা ও পূর্ব ভারতের আন্দোলন

  • প্রতিষ্ঠাতা:
    • আনন্দমোহন বসু
    • শিবনাথ শাস্ত্রী
    • উমেশচন্দ্র দত্ত
  • কারণ:
    • কেশবচন্দ্র সেন তাঁর অল্পবয়সী কন্যার বিবাহ কুচবিহারের রাজার সাথে দেন।
    • এর প্রতিবাদে এই সংগঠন গঠিত হয়।
  • বৈশিষ্ট্য:
    • গণতান্ত্রিক সংগঠন
    • নারীশিক্ষার সমর্থন
    • বাল্যবিবাহের বিরোধিতা
    • যুক্তিবাদী ধর্মচিন্তা

  • প্রতিষ্ঠাতা: শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর
  • পরবর্তীকালে নেতৃত্ব দেন: গুরুচাঁদ ঠাকুর
  • অঞ্চল: ফরিদপুর, অবিভক্ত বাংলা
  • সম্প্রদায়: নমঃশূদ্র ও দলিত সমাজ
  • মূল লক্ষ্য:
    • শিক্ষা বিস্তার
    • সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
    • জাতিভেদ দূরীকরণ
  • স্লোগান:
    • “হাতে কাম, মুখে নাম”
  • বাংলার দলিত সমাজে নবজাগরণ ঘটায়।

  • প্রতিষ্ঠাতা: রাধাকান্ত দেব
  • উদ্দেশ্য:
    • সনাতন হিন্দুধর্ম রক্ষা
    • সতীদাহ প্রথা বিলোপের বিরোধিতা
  • ব্রাহ্মসমাজের বিরোধী সংগঠন হিসেবে পরিচিত।
  • রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের প্রতিনিধিত্ব করত।

পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতের আন্দোলন

  • প্রতিষ্ঠাতা:
    • দাদোবা পাণ্ডুরঙ্গ
    • দুর্গ আরাম মনছরাম
  • অঞ্চল: বম্বে
  • বৈশিষ্ট্য:
    • গোপন সমাজ সংস্কার সংগঠন
    • জাতিভেদ প্রথার বিরোধিতা
    • একেশ্বরবাদ প্রচার
    • সামাজিক সমতার পক্ষে কাজ

  • প্রতিষ্ঠাতা: মেহতাজি দুর্গ আরাম
  • অঞ্চল: সুরাট
  • উদ্দেশ্য:
    • কুসংস্কার দূরীকরণ
    • মানবতাবাদ প্রচার
    • ধর্মীয় উদারতা প্রতিষ্ঠা

  • প্রতিষ্ঠাতা:
    • ফার্দুনজি নওরোজি
    • দাদাভাই নওরোজি
    • এস. এস. বাঙালি
  • অঞ্চল: বম্বে
  • ধর্ম: পার্সি (জরথুস্ত্রী)
  • মুখপত্র: রাস্ত গোফতার
  • লক্ষ্য:
    • পার্সি সমাজের কুসংস্কার দূর করা
    • নারীশিক্ষা বিস্তার
    • আধুনিক শিক্ষা প্রচার

  • প্রতিষ্ঠাতা: কে. শ্রীধরালু নাইডু
  • অঞ্চল: মাদ্রাজ
  • “দক্ষিণ ভারতের ব্রাহ্মসমাজ” নামে পরিচিত।
  • ব্রাহ্মসমাজের আদর্শে অনুপ্রাণিত।
  • একেশ্বরবাদ প্রচার করে।

  • প্রতিষ্ঠাতা: শিবনারায়ণ অগ্নিহোত্রী
  • অঞ্চল: লাহোর
  • মূল লক্ষ্য:
    • নৈতিক শিক্ষা
    • সমাজসেবা
    • বাল্যবিবাহ রোধ

  • প্রতিষ্ঠাতা:
    • মদন মোহন মালব্য
    • দীনদয়াল শর্মা
  • উদ্দেশ্য:
    • সনাতন হিন্দুধর্ম রক্ষা
    • আর্য সমাজের বিরোধিতা
  • রক্ষণশীল হিন্দু সংগঠন হিসেবে পরিচিত।

মুসলিম ও শিখ সংস্কার আন্দোলন

  • প্রতিষ্ঠাতা: মির্জা গোলাম আহমদ
  • অঞ্চল: কদিয়ান, পাঞ্জাব
  • মূল বক্তব্য:
    • উদারপন্থী ইসলাম
    • মানবতাবাদ
    • শান্তির প্রচার
    • জিহাদের সহিংস ধারণার বিরোধিতা

  • প্রতিষ্ঠাতা: হাজী শরীয়তউল্লাহ
  • অঞ্চল: বাংলা
  • লক্ষ্য:
    • ইসলামের কুসংস্কার দূর করা
    • ধর্মীয় শুদ্ধিকরণ
  • পরবর্তীতে দুদু মিঞার নেতৃত্বে কৃষক আন্দোলনে রূপ নেয়।
  • নীলকর ও জমিদারদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে।

  • নেতা: সৈয়দ আহমদ বেরেলভি
  • ভারতে ইসলামের শুদ্ধিকরণ আন্দোলন।
  • বাংলায় তিতুমীর এই আদর্শে অনুপ্রাণিত হন।
  • বারাসাত বিদ্রোহের সঙ্গে সম্পর্কিত।

  • স্থান: অমৃতসর
  • উদ্দেশ্য:
    • শিখ ধর্মের সংস্কার
    • আধুনিক শিক্ষা বিস্তার
    • ধর্মীয় কুসংস্কার দূর করা
  • পরবর্তীকালে অকালি আন্দোলনের ভিত্তি গড়ে তোলে।

গুরুত্বপূর্ণ নারী সংস্কারক

  • মুসলিম নারীশিক্ষার অগ্রদূত
  • প্রতিষ্ঠা করেন:
    • সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল
    • আঞ্জুমান-এ-খাওয়াতিন-এ-ইসলাম
  • বিখ্যাত গ্রন্থ:
    • সুলতানার স্বপ্ন
    • মতিচূর
  • নারী স্বাধীনতা ও শিক্ষার পক্ষে আন্দোলন করেন।

  • ভারতের প্রথম মহিলা শিক্ষিকা
  • স্বামী: জ্যোতিরাও ফুলে
  • পুনেতে মেয়েদের প্রথম স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
  • বিধবা ও অস্পৃশ্যদের কল্যাণে কাজ করেন।
  • নারীশিক্ষার পথিকৃৎ।

  • মহারাষ্ট্রের নারীবাদী চিন্তাবিদ
  • বিখ্যাত গ্রন্থ:
    • স্ত্রী-পুরুষ তুলনা (১৮৮২)
  • পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সমালোচনা করেন।
  • ভারতীয় নারীবাদী সাহিত্যের পথিকৃৎ।

পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Quick Revision)

উপাধি / বিশেষ নামপ্রকৃত নাম
দক্ষিণ ভারতের বিদ্যাসাগরকন্দুকুরি বীরেশলিঙ্গম
মহারাষ্ট্রের সক্রেটিসমহাদেব গোবিন্দ রানাডে
লোকহিতবাদীগোপাল হরি দেশমুখ
পাঞ্জাবের সিংহলালা লাজপত রায়

পরীক্ষায় আসার মতো Matching Topics 

আন্দোলনঅঞ্চলমুখপত্র/বিশেষ তথ্য
রাহনুমাঈ মাজদায়সান সভাবম্বেরাস্ত গোফতার
মতূয়া আন্দোলনফরিদপুরহরিচাঁদ ঠাকুর
আহমদিয়া আন্দোলনকদিয়ানমির্জা গোলাম আহমদ
ফরাইজি আন্দোলনবাংলাহাজী শরীয়তউল্লাহ
সিং সভা আন্দোলনঅমৃতসরশিখ সংস্কার
বেদ সমাজমাদ্রাজদক্ষিণ ভারতের ব্রাহ্মসমাজ
সাধারণ ব্রাহ্মসমাজকলকাতাআনন্দমোহন বসু
লিঙ্গায়ত আন্দোলনকর্ণাটকবসবেশ্বর

কিছু তথ্য SAQ আকারে দেওয়া হল : ।।।।

1. আলভার ও নায়নার আন্দোলন ভারতের কোন রাজ্যে এবং কোন সময়ে সূচিত হয়েছিল?

Ans: তামিলনাড়ু, দক্ষিণ ভারতে খ্রিস্টীয় ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শতকের মধ্যে।

2. ‘আলভার’ ও ‘নায়নার’ শব্দের অর্থ কী এবং তাঁরা কার উপাসক ছিলেন?

Ans: ‘আলভার’ শব্দের অর্থ বিষ্ণুভক্ত এবং ‘নায়নার’ শব্দের অর্থ শিবভক্ত সন্ত।

3. আলভার সন্তদের সংখ্যা কত ছিল এবং তাঁদের পদগুলির সংকলনের নাম কী?

Ans: আলভার সন্তদের সংখ্যা ছিল ১২ জন এবং তাঁদের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘নালায়ির দিব্য প্রবন্ধম’।

4. নায়নার সন্তদের সংখ্যা কত ছিল এবং তাঁদের পবিত্র রচনার সংকলনটি কী নামে পরিচিত?

Ans: নায়নার সন্তদের সংখ্যা ছিল ২৩ জন এবং তাঁদের রচনার সংকলনটির নাম ‘তেভারম’।

5. আলভার ও নায়নার সন্তরা প্রচারের জন্য সংস্কৃতের পরিবর্তে কোন ভাষা ব্যবহার করেছিলেন?

Ans: তামিল ভাষা।

6. কর্ণাটকে দ্বাদশ শতকে লিঙ্গায়ত বা বীরশৈব আন্দোলনের নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন?

Ans: বসবেশ্বর (বা বাসব)।

7. লিঙ্গায়ত সম্প্রদায়ের অনুসারীরা তাঁদের শরীরে কোন প্রতীকটি ধারণ করতেন?

Ans: গলায় রূপোর কৌটোয় ‘ইষ্টলিঙ্গ’ ধারণ করতেন।

8. লিঙ্গায়ত আন্দোলনের মূল সামাজিক দর্শন বা বক্তব্য কী ছিল? 

Ans: জাতিভেদ প্রথার তীব্র বিরোধিতা, ব্রাহ্মণ্যবাদের যজ্ঞ ও মূর্তিপূজার বিরোধিতা এবং নারী-পুরুষ সমতা।

9. বীরশৈব বা লিঙ্গায়ত আন্দোলনের মূল লক্ষ্য বা সাহিত্যিক ভিত্তি কী ছিল?

Ans: বচন সাহিত্য (Vachana Sahitya)।

10. রাজস্থানে ষোড়শ শতকে ‘দাদুপন্থ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি কার ভাবধারায় অনুপ্রাণিত ছিলেন?

Ans: দাদু দয়াল, তিনি সন্ত কবীরের ভাবধারায় প্রভাবিত ছিলেন।

11. দাদু দয়াল প্রচারিত নিরপেক্ষ ধর্মীয় দর্শনটি কী নামে পরিচিত?

Ans: “নিপখ” (Nipakh)।

12. ‘সুরসাগর’ গ্রন্থের রচয়িতা কে এবং তিনি কোন ভাষার মাধ্যমে ভক্তিগীতি রচনা করতেন?

Ans: সুরদাস, তিনি ব্রজভাষায় কাব্য রচনা করতেন।

13. সুরদাস ভক্তি আন্দোলনের কোন ধারার সাধক ছিলেন এবং তাঁর উপাস্য কে ছিলেন?

Ans: তিনি সগুণ বৈষ্ণব ভক্তিধারার সাধক ছিলেন এবং তাঁর উপাস্য ছিলেন শ্রীকৃষ্ণ (বিশেষত কৃষ্ণের বাল্যলীলা)।

14. হিন্দি সাহিত্যের অমূল্য সৃষ্টি ‘রামচরিতমানস’ কার রচনা এবং এটি কোন ভাষায় লিখিত?

Ans: তুলসীদাসের রচনা, এটি অবধী ভাষায় লিখিত।

15. তুলসীদাস রামকে সমাজ ও কাব্যে কীভাবে উপস্থাপন করেছেন?

Ans: রামকে আদেশ রাজা, পরমেশ্বর এবং নৈতিকতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছেন।

16. সুফিবাদের সবচেয়ে রক্ষণশীল সিলসিলা বা ধারা কোনটি ছিল?

Ans: নকশবন্দি সিলসিলা।

17. ভারতে নকশবন্দি সিলসিলা কে জনপ্রিয় করে তোলেন?

Ans: খাজা বাকি বিল্লাহ।

18. নকশবন্দি ধারার কোন নেতাকে ‘মুজাদ্দিদ আলি সানি’ (সহস্রাব্দের সংস্কারক) বলা হয়?

Ans: শেখ আহমদ সিরহিন্দি।

19. মুঘল সম্রাট আকবরের উদারপন্থী ‘দীন-ই-ইলাহি’ দর্শনের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন কোন সুফি সন্ত?

Ans: শেখ আহমদ সিরহিন্দি।

20. দক্ষিণ ভারতের ভক্তি আন্দোলনের আদি সন্তদের জাতপাতহীন সামাজিক আদর্শ পরবর্তীকালে কোন দার্শনিকদের ভিত্তি তৈরি করে?

Ans: রামানুজ এবং মাধবাচার্য।

21. সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?

Ans: ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতায়।

22. সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার মূল কাণ্ডারি বা প্রতিষ্ঠাতা কারা ছিলেন?

Ans: আনন্দমোহন বসু, শিবনাথ শাস্ত্রী এবং উমেশচন্দ্র দত্ত।

23. কোন ঘটনার প্রতিবাদে কেশবচন্দ্র সেনের ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্মসমাজ ভেঙে সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ গঠিত হয়?

Ans: কেশবচন্দ্র সেন কর্তৃক তাঁর নাবালিকা কন্যার সাথে কুচবিহারের হিন্দু রাজার বাল্যবিবাহ দেওয়ার প্রতিবাদে।

24. সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের সাংগঠনিক পরিকাঠামোর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?

Ans: এটি সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ও যুক্তিবাদী নিয়মতন্ত্রের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়েছিল।

25. অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরে ‘মতূয়া আন্দোলন’ কে শুরু করেছিলেন?

Ans: শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর।

26. হরিচাঁদ ঠাকুরের প্রয়াণের পর মতূয়া আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনের রূপ দেন কে?

Ans: তাঁর পুত্র গুরুচাঁদ ঠাকুর।

27. মতূয়া আন্দোলনের মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য কী ছিল?

Ans: নমঃশূদ্র ও দলিত সমাজের মধ্যে শিক্ষা বিস্তার, জাতিভেদ দূরীকরণ এবং সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।

28. মতূয়া ধর্মের মূল জীবনমুখী স্লোগানটি কী ছিল?

Ans: “হাতে কাম, মুখে নাম” (অর্থনৈতিক কাজ ও ঈশ্বরের নাম একসাথে)।

29. রামমোহন রায়ের সমাজ সংস্কারের বিরোধিতা করার জন্য কলকাতায় ‘ধর্ম সভা’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: রাধাকান্ত দেব (১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে)।

30. ধর্ম সভা প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?

Ans: সনাতন হিন্দুধর্ম রক্ষা করা এবং সতীদাহ প্রথা রদ আইনের তীব্র বিরোধিতা করা।

31. উনিশ শতকের বাংলায় ব্রাহ্মসমাজের প্রধান বিরোধী রক্ষণশীল সংগঠন কোনটি ছিল?

Ans: রাধাকান্ত দেবের ‘ধর্ম সভা’।

32. তত্ত্ববোধিনী সভা কত খ্রিস্টাব্দে কে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

33. আত্মীয় সভা কে কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: রাজা রামমোহন রায়, ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে।

34. বাংলার কোন সমাজ সংস্কারক “ঐতিহ্যবাহী আধুনিকতাবাদী” (Traditional Modernizer) নামে পরিচিত?

Ans: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

35. ডিরোজিওর অনুগামীদের দ্বারা বাংলায় গড়ে ওঠা সংস্কার আন্দোলনটির নাম কী ছিল?

Ans: ইয়ং বেঙ্গল বা নব্যবঙ্গ আন্দোলন।

36. ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে বম্বেতে প্রতিষ্ঠিত প্রথম গোপন সমাজ সংস্কার সংগঠনটির নাম কী?

Ans: পরমহংস মণ্ডলী।

37. পরমহংস মণ্ডলীর প্রতিষ্ঠাতা কারা ছিলেন?

Ans: দাদোবা পাণ্ডুরঙ্গ এবং দুর্গ আরাম মনছরাম। 

38. পরমহংস মণ্ডলীর সভার কাজ কেন গোপনে পরিচালনা করা হতো?

Ans: উচ্চবর্ণের সমাজচ্যুতির ভয়ে এবং জাতিভেদ প্রথার প্রকাশ্য বিরোধিতার প্রথম দিক হওয়ায় এটি গোপনে চলত।

39. ১৮৪৪ খ্রিস্টাব্দে গুজরাটের সুরাটে ‘মানব ধর্ম সভা’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: মেহতাজি দুর্গ আরাম।

40. মানব ধর্ম সভার মূল আদর্শ কী ছিল?

Ans: সামাজিক কুসংস্কার দূরীকরণ, জাদুটোনার বিরোধিতা এবং বিশ্বজনীন মানবতাবাদ প্রচার।

41. পার্সি বা জরথুষ্ট সমাজের প্রথম সমাজ সংস্কারক সংগঠনের নাম কী?

Ans: রাহনুমাঈ মাজদায়সান সভা (১৮৫১ খ্রিস্টাব্দ)।

42. রাহনুমাঈ মাজদায়সান সভার প্রধান প্রতিষ্ঠাতা কারা ছিলেন?

Ans: ফার্দুনজি নওরোজি, দাদাভাই নওরোজি এবং এস. এস. বাঙালি।

43. রাহনুমাঈ মাজদায়সান সভার মুখপত্র বা বিখ্যাত পত্রিকাটির নাম কী ছিল?

Ans: ‘রাস্ত গোফতার’ (যার অর্থ: সত্যবাদী)।

44. ‘রাস্ত গোফতার’ পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক কে ছিলেন?

Ans: দাদাভাই নওরোজি।

45. মাদ্রাজে (চেন্নাই) ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে ‘বেদ সমাজ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: কে. শ্রীধরালু নাইডু (সহযোগিতায় ছিলেন চেটিয়ার)।

46. ভারতের ইতিহাসের কোন সংগঠনকে “দক্ষিণ ভারতের ব্রাহ্মসমাজ” বলা হয়?

Ans: বেদ সমাজ-কে।

47. ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দে লাহোরে ‘দেব সমাজ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: শিবনারায়ণ অগ্নিহোত্রী।

48. দেব সমাজ আন্দোলনের মূল ফোকাস বা লক্ষ্য কী ছিল?

Ans: সমাজসেবা, উচ্চ নৈতিক চরিত্রের বিকাশ এবং বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের বিরোধিতা।

49. আর্য সমাজের শুদ্ধি আন্দোলন এবং পাশ্চাত্য শিক্ষার বিরোধিতার উদ্দেশ্যে ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে কোন রক্ষণশীল সনাতন সংগঠনটি তৈরি হয়? 

Ans: ভারত ধর্ম মহামণ্ডল।

50. ভারত ধর্ম মহামণ্ডল কে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: পণ্ডিত মদন মোহন মালব্য এবং দীনদয়াল শর্মা।

51. বম্বেতে ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে ‘প্রার্থনা সমাজ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: আত্মারাম পাণ্ডুরঙ্গ।

52. প্রার্থনা সমাজকে মহারাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী সমাজ সংস্কার আন্দোলনে রূপান্তরিত করেন কে?

Ans: মহাদেব গোবিন্দ রানাডে (১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে যোগদানের পর)।

53. ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে মহারাষ্ট্রে ‘satyaশোধক সমাজ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: জ্যোতিরাও ফুলে (মহাত্মা ফুলে)।

54. দলিত ও নিম্নবর্ণের অধিকার রক্ষার আন্দোলনের আদি দলিল হিসেবে পরিচিত ‘गुलामगिरि’ বইটি কার লেখা?

Ans: জ্যোতিরাও ফুলে।

55. কেরলে অনগ্রসর ইঝাভা সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার জন্য ‘SNDP’ আন্দোলন কে শুরু করেন?

Ans: শ্রী নারায়ণ গুরু।

56. শ্রী নারায়ণ গুরুর বিখ্যাত সামাজিক স্লোগানটি কী ছিল?

Ans: “এক জাতি, এক ধর্ম, এক ঈশ্বর সমস্ত মানবজাতির জন্য” (Oru Jathi, Oru Matham, Oru Daivam Manushyanu)।

57. তামিলনাড়ুতে ব্রাহ্মণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ‘আত্মমর্যাদা আন্দোলন’ (Self-Respect Movement) কে শুরু করেন?

Ans: ই. ভি. রামাস্বামী নাইকার, যিনি ‘পেরিয়ার’ নামে জনপ্রিয়।

58. মাদ্রাজে অ-ব্রাহ্মণদের অধিকার আদায়ের জন্য গড়ে ওঠা জাস্টিস পার্টি আন্দোলনের নেতৃত্ব কারা দিয়েছিলেন?

Ans: সি. এন. মুদালিয়ার, টি এম নায়ার এবং পি. ত্যাগরাজা চেট্টি। 

মুসলিম ও শিখ সংস্কার আন্দোলন

59. ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে পাঞ্জাবের কদিয়ানে ‘আহমদিয়া আন্দোলন’ কে শুরু করেন?

Ans: মির্জা গোলাম আহমদ। 

60. আহমদিয়া আন্দোলনের মূল ধর্মীয় চরিত্র কেমন ছিল?

Ans: এটি ছিল একটি উদারপন্থী ও সংস্কারমুখী আন্দোলন, যা ইসলামে জিহাদের সশস্ত্র ধারণার বিরোধিতা করত।

61. ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব বাংলায় (ফরিদপুর) ‘ফরাইজি আন্দোলন’ কে শুরু করেছিলেন?

Ans: হাজী শরীয়তউল্লাহ।

62. ‘ফরাইজি’ শব্দটির উৎস কী এবং এর মূল অর্থ কী?

Ans: শব্দটি আরবি ‘ফরাজ’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘ইসলাম নির্ধারিত বাধ্যতামূলক ধর্মীয় कर्तव्य’।

63. হাজী শরীয়তউল্লাহের মৃত্যুর পর ফরাইজি আন্দোলনকে একটি সফল অর্থনৈতিক ও কৃষক বিদ্রোহে রূপ দেন কে?

Ans: তাঁর পুত্র মহম্মদ মহসিন, যিনি ইতিহাসে ‘দুদু মিঞা’ নামে পরিচিত।

64. দুদু মিঞার বিখ্যাত ভূমি সংস্কার সংক্রান্ত স্লোগানটি কী ছিল?

Ans: “জমি আল্লাহর দান, তাই জমির ওপর কর ধার্য করার অধিকার জমিদারের নেই।”

65. ভারতে ‘তারিকাহ-ই-মুহম্মদিয়া’ বা ওয়াহাবি আন্দোলনের মূল প্রতিষ্ঠাতা বা প্রধান নেতা কে ছিলেন?

Ans: সৈয়দ আহমদ বেরেলভি (রায়বেরেলি)।

66. বাংলায় ওয়াহাবি ভাবধারার বিস্তার ঘটিয়ে বিখ্যাত ‘বারাসাত বিদ্রোহ’ কে পরিচালনা করেন?

Ans: মীর নিসার আলী, যিনি ‘তিতুমীর’ নামে পরিচিত।

67. তিতুমীর অত্যাচারী জমিদার কৃষ্ণদেব রায় ও নীলকরদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য কোথায় বাঁশের কেল্লা তৈরি করেছিলেন?

Ans: নারিকেলবেড়িয়া গ্রামে (১৮৩১ খ্রিস্টাব্দ)।

68. ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে শিখ ধর্মের অভ্যন্তরীণ কুপ্রথা দূর করতে এবং শিখদের মধ্যে আধুনিক শিক্ষার প্রসারের জন্য কোন আন্দোলন গড়ে ওঠে?

Ans: সিং সভা আন্দোলন (Singh Sabha Movement)।

69. সিং সভা আন্দোলনের প্রথম অধিবেশনটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?

Ans: অমৃতসরে।

70. সিং সভা আন্দোলনের পটভূমিতে ১৯২০-র দশকে পাঞ্জাবের গুরুদ্বারগুলোকে দুর্নীতিগ্রস্ত মহন্তদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য কোন আন্দোলন শুরু হয়?

Ans: অকালি আন্দোলন বা গুরুদ্বার সংস্কার আন্দোলন।

71. ১৮ শতকের শেষে পাঞ্জাবে বাবা রাম সিং-এর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা নামধারী আন্দোলনটি অন্য কী নামে পরিচিত ছিল?

Ans: কুকা আন্দোলন (Kuka Movement)।

72. মুসলিম সমাজের আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে আলিগড় আন্দোলনের সূচনা কে করেছিলেন?

Ans: স্যার সৈয়দ আহমদ খান।

73. ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে মহম্মদ কাসিম নানৌতবে ও রসিদ আহমেদ গঙ্গোহী কোন ঐতিহ্যবাদী রক্ষণশীল আন্দোলন শুরু করেন?

Ans: দেওবন্দ আন্দোলন (Deoband Movement)।

গুরুত্বপূর্ণ নারী সংস্কারক

74. বাংলায় মুসলিম নারীশিক্ষার প্রসারে ও কুপ্রথার বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করেছেন কোন মহীয়সী নারী?

Ans: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন।

75. বেগম রোকেয়া কলকাতার বুকে মুসলিম মেয়েদের জন্য কোন বিখ্যাত স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল (১৯১১ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় স্থানান্তরিত হয়)।

76. বেগম রোকেয়া কর্তৃক ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে গঠিত মুসলিম মহিলাদের প্রথম সমাজসেবামূলক সংগঠনের নাম কী?

Ans: আঞ্জুমান-এ-খাওয়াতিন-এ-ইসলাম (নিখিল ভারত মুসলিম মহিলা সমিতি)।

77. ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (Sultana’s Dream) ও ‘মতিচূর’ গ্রন্থদুটির রচয়িতা কে?

Ans: বেগম রোকেয়া।

78. ভারতের প্রথম আধুনিক মহিলা শিক্ষিকা এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়?

Ans: সাবিত্রীবাঈ ফুলে-কে।

79. সাবিত্রীবাঈ ফুলে তাঁর স্বামী জ্যোতিরাও ফুলের সাথে যৌথভাবে কত সালে এবং কোথায় মেয়েদের প্রথম স্কুল খোলেন?

Ans: ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে, পুনের ভিড়ে ওয়াডায় (Bhide Wada)।

80. দলিত, অস্পৃশ্য এবং গর্ভবতী ধর্ষিতা বিধবাদের সুরক্ষার জন্য সাবিত্রীবাঈ ফুলে পুনেতে কোন আশ্রমটি খুলেছিলেন?

Ans: বালহত্যা প্রতিবন্ধক গৃহ (Balhatya Pratibandhak Griha)।

81. মহারাষ্ট্রের কোন নারী সংস্কারক পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করে ১৮৮২ সালে ‘স্ত্রী-পুরুষ তুলনা’ বইখানি লেখেন?

Ans: তারাবাঈ শিন্ডে।

82. তারাবাঈ শিন্ডের লেখা ‘স্ত্রী-পুরুষ তুলনা’ বইটিকে ভারতের ইতিহাসে কী হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়?

Ans: ভারতের প্রথম আধুনিক নারীবাদী বা লিঙ্গ-সমতাভিত্তিক সমালোচনামূলক সাহিত্য।

83. ১৮ briefs শতকে পুনেতে উচ্চবর্ণের হিন্দু অনাথ ও বিধবা মহিলাদের আশ্রয় ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার জন্য ‘শারদা সদন’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: পণ্ডিত রমাবাই সরস্বতী।

84. পণ্ডিত রমাবাই খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার পর পুনের কাছে কেদগাঁওয়ে দুস্থ মহিলাদের জন্য কোন আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: মুক্তি মিশন (Mukti Mission)।

85. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম কোন ভারতীয় মহিলাকে তাঁর অগাধ সংস্কৃত পাণ্ডিত্যের জন্য ‘পণ্ডিত’ ও ‘সরস্বতী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়?

Ans: রমাবাই-কে (১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে)।

86. ভারতের সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে কাকে “দক্ষিণ ভারতের বিদ্যাসাগর” বলা হয়?

Ans: কন্দুকুরি বীরেশলিঙ্গম পান্তুলু-কে।

87. কন্দুকুরি বীরেশলিঙ্গম পান্তুলু মাদ্রাজে মূলত কোন আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বিদ্যাসাগরের সাথে তুলনীয় হন?

Ans: বিধবা বিবাহ আন্দোলন (১৮৮১ সালে তিনি প্রথম দক্ষিণ ভারতে বিধবা বিবাহ সম্পন্ন করan)।

88. ভারতের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সংস্কারের পটভূমিতে কাকে “মহারাষ্ট্রের সক্রেটিস” বলা হয়?

Ans: মহাদেব গোবিন্দ রানাডে-কে।

89. মহারাষ্ট্রের কোন সমাজ সংস্কারক ছদ্মনাম হিসেবে “লোকহিতবাদী” নাম ধারণ করেছিলেন?

Ans: গোপাল হরি দেশমুখ।

90. আর্য সমাজের লাহোর শাখার অন্যতম প্রধান নেতা তথা চরমপন্থী স্বাধীনতা সংগ্রামী কাকে “পাঞ্জাবের সিংহ” (Sher-e-Punjab) বলা হয়?

Ans: লালা লাজপত রায়-কে।

91. আর্য সমাজ কে কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী, ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে বম্বেতে।

92. স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর মূল স্লোগান বা আহ্বানটি কী ছিল?

Ans: “বেদের দিকে ফিরে যাও” (Go back to the Vedas)।

93. হিন্দু ধর্ম ত্যাগী ব্যক্তিদের পুনরায় স্বধর্মে ফিরিয়ে আনার জন্য আর্য সমাজ কোন আন্দোলনের সূচনা করেছিল?

Ans: শুদ্ধি আন্দোলন (Shuddhi Movement)।

94. উনিশ শতকের বম্বের কোন সংস্কারক জাতপাত বিরোধী আন্দোলনের জন্য ‘মহারাষ্ট্রের সমাজ সংস্কারের জনক’ নামে পরিচিত?

Ans: বালশাস্ত্রী আম্বেকর।

95. ‘বেদভাষ্য’ এবং ‘সত্যার্দ প্রকাশ’ গ্রন্থদুটি কার রচনা?

Ans: স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী।

96. স্বামী বিবেকানন্দ কত খ্রিস্টাব্দে ‘রামকৃষ্ণ মিশন’ প্রতিষ্ঠা করেন?

Ans: ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে (১লা মে)।

97. ভারতের থিয়োসফিক্যাল সোসাইটির আন্দোলনের সাথে যুক্ত কোন আইরিশ মহিলা কেন্দ্রীয় হিন্দু কলেজ (বারাণসী) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?

Ans: অ্যানি বেসান্ত।

98. মুঘল সম্রাট আকবর কত খ্রিস্টাব্দে ‘দীন-ই-ইলাহি’ নামক সর্বধর্মসমন্বয় ধর্মের প্রবর্তন করেন?

Ans: ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে।

99. শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানক দেবের বাণী ও উপদেশসমূহ কোন পবিত্র গ্রন্থে সংকলিত রয়েছে?

Ans: গুরু গ্রন্থ সাহেব (বা আদি গ্রন্থ)।

100. মধ্যযুগের বিখ্যাত ভক্তি সাধক কবীরের পরমার্থিক দোহা বা বাণীসমূহ কোন গ্রন্থে সংরক্ষিত আছে?

Ans: বীজক (Bijak)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *