রূপরাম চক্রবর্তী ( কবিপ্রতিভা ও কাব্যবিচার) PDF

0
rupramchakrabort

WB SLST (বাংলা 9–10 / 11–12)  

ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবি

রূপরাম চক্রবর্তী   

( কবিপ্রতিভা ও কাব্যবিচার)  

ভূমিকা: 

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান ও বৈচিত্র্যময় শাখা হলো ‘ধর্মমঙ্গল’। রাঢ় বাংলার লৌকিক দেবতা ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য এবং বীর লাউসেনের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে এই কাব্য গড়ে উঠেছে। এই ধারার কালানুক্রমিক দিক থেকে প্রথম বা আদি কবি হলেন রূপরাম চক্রবর্তী। সপ্তদশ শতাব্দীতে রচিত তাঁর কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য দলিল, যা সমকালীন সমাজ ও সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র বহন করে।

কবির আত্মপরিচয় ও জন্মস্থান

মঙ্গলকাব্যের ঐতিহ্য অনুসারে রূপরাম চক্রবর্তী তাঁর কাব্যের শুরুতে একটি দীর্ঘ ও বিস্তারিত আত্মপরিচয় বা ‘কবিবন্দনা’ অংশ যুক্ত করেছেন। সেখান থেকে জানা যায়:

  • বাসস্থান: তিনি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না থানার অন্তর্গত ‘কায়তি-শ্রীরামপুর’ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  • বংশপরিচয়: কবি জাতিতে ছিলেন রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণ। তাঁর পিতার নাম শ্রীরাম চক্রবর্তী এবং মাতার নাম ছিল বাশুলী দেবী। কবির দুই ভাই ছিল—রত্নেশ্বর ও বিশ্বেশ্বর।

কাব্য রচনার অলৌকিক পটভূমি

রূপরামের কবি হয়ে ওঠার পেছনে সমকালীন সামাজিক সংকট ও অলৌকিকতার এক মিশ্র কাহিনী পাওয়া যায়।

  • পারিবারিক বিরোধ: পিতার মৃত্যুর পর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা রত্নেশ্বরের সঙ্গে পারিবারিক সম্পত্তি ও বিদ্যাশিক্ষা নিয়ে রূপরামের বিরোধ বাধে। অভিমানে ও ক্ষোভে তিনি গৃহত্যাগ করেন।
  • শিক্ষা জীবন: বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি সাধনপুর গ্রামে রঘুনাথ ভট্টাচার্যের চতুষ্পাঠীতে (টোলে) পড়তে যান। কিন্তু সেখানেও সহপাঠীদের উপহাস এবং গুরুর লাঞ্ছনার শিকার হয়ে এক গভীর অমাবস্যার রাতে তিনি টোল থেকে পালিয়ে যান।
  • দেবী দর্শন ও বরলাভ: পথিমধ্যে দামোদর নদের তীরে দেবী বাশুলী (মতান্তরে ধর্মঠাকুর) তাঁকে দর্শন দেন। দেবী তাঁকে লাউসেনের কীর্তিগাথা তথা ধর্মমঙ্গল কাব্য রচনার আদেশ দেন এবং খাগের কলম ও দোয়াত উপহার দিয়ে কবিত্ব শক্তি দান করেন। এর পরই কবি নিজ গ্রামে ফিরে কাব্য রচনা শুরু করেন।

কাব্যের নামকরণ ও সময়কাল:

রূপরাম চক্রবর্তী রচিত কাব্যটি ‘অনাদিমঙ্গল’ নামে পরিচিত। কাব্য রচনার সময়কাল নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, কাব্যে প্রাপ্ত ভণিতা এবং ঐতিহাসিক সূত্র বিশ্লেষণ করে ড. সুকুমার সেনসহ অধিকাংশ গবেষক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, কাব্যটি সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে (১৬৫০-১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে) রচিত হয়েছিল।

রূপরামের কাব্যের সাহিত্যিক ও সামাজিক বৈশিষ্ট্য:

পরীক্ষার জন্য রূপরামের কাব্যের সাহিত্যিক মূল্য বিচার করা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি নিচে আলোচনা করা হলো:

  • ১. প্রখর বাস্তবতাবোধ ও সমাজচিত্র: রূপরামের কাব্যে দেব-দেবীর অলৌকিকতার চেয়ে মানুষের বাস্তব জীবন বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। তৎকালীন রাঢ় অঞ্চলের মানুষের চরম দারিদ্র্য, অনাহার, মেঠো পথ, দামোদর নদের বন্যা এবং সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই কবি অত্যন্ত সহানুভূতির সাথে এঁকেছেন।
  • ২. মনস্তাত্ত্বিক চরিত্র চিত্রণ: রূপরাম চরিত্র সৃষ্টিতে গভীর মনস্তত্ত্বের পরিচয় দিয়েছেন। নায়ক লাউসেনের বীরত্ব যেমন ফুটিয়ে তুলেছেন, তেমনই খলনায়ক পাত্র মহামদ বা মাহুদিয়ার কুটিলতা ও ঈর্ষাপরায়ণতাকে অত্যন্ত জীবন্ত করে তুলেছেন। লাউসেনের মাতা রঞ্জাবতীর পুত্রস্নেহ ও ত্যাগ এই কাব্যের অন্যতম সেরা সম্পদ।
  • ৩. হাস্যরস ও লৌকিক উপাদান: মধ্যযুগের কাব্যে যেখানে কেবলই ভক্তিভাব প্রধান ছিল, সেখানে রূপরাম লৌকিক উপাদানের সাহায্যে প্রচুর হাস্যরসের (Humour) অবতারণা করেছেন। টোলের ছাত্রদের আচার-আচরণ বা সাধারণ মানুষের কথোপকথনে এই রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
  • ৪. সরল ও সাবলীল ভাষা: কবি পণ্ডিতী বা সংস্কৃতঘেঁষা ভাষার পরিবর্তে রাঢ় অঞ্চলের চলিত ও লৌকিক ভাষা ব্যবহার করেছেন। সহজ উপমা ও ছন্দের ব্যবহারে তাঁর কাব্য সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

ঘনরাম চক্রবর্তীর সাথে সংক্ষিপ্ত তুলনা:

ধর্মমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি হলেন ঘনরাম চক্রবর্তী (অষ্টাদশ শতাব্দী)। তবে ঘনরামের কাব্য যেখানে রাজকীয় আভিজাত্য, মার্জিত ভাষা এবং পাণ্ডিত্যে ভরপুর, সেখানে রূপরামের কাব্য অনেক বেশি মাটির কাছাকাছি, সরল এবং আদিম রসে পুষ্ট। আদি কবি হিসেবে রূপরাম যে কাহিনীর খসড়া তৈরি করেছিলেন, ঘনরাম পরবর্তীকালে তাকেই অলংকৃত করেছেন মাত্র।

উপসংহার:

পরিশেষে বলা যায়, বাংলা মঙ্গলকাব্য ধারায় রূপরাম চক্রবর্তী একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। অলৌকিক দেব-মহিমার চাদরে মোড়া থাকলেও তাঁর ‘অনাদিমঙ্গল’ আসলে রাঢ় বাংলার মাটি, মানুষ ও সংস্কৃতির এক জীবন্ত ইতিহাস। আদি কবি হিসেবে ধর্মঠাকুরের লৌকিক ব্রতকথাকে সাহিত্যের দরবারে প্রতিষ্ঠা করার মূল কৃতিত্ব তাঁরই প্রাপ্য।

 রূপরাম চক্রবর্তী ও তাঁর ‘ধর্মমঙ্গল’ বিষয়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ One-liner দেখে রেখো 

কবির ব্যক্তিগত জীবন ও পরিচয়

  • ১. রূপরাম চক্রবর্তী হলেন বাংলা মঙ্গলকাব্য ধারার ‘ধর্মমঙ্গল’ শাখার আদি বা প্রথম কবি।
  • ২. রূপরাম চক্রবর্তীর জন্মস্থান বর্তমান পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না থানার অন্তর্গত ‘কায়তি-শ্রীরামপুর’ গ্রামে।
  • ৩. কবি রূপরাম জাতিতে ছিলেন রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণ।
  • ৪. রূপরাম চক্রবর্তীর পিতার নাম ছিল শ্রীরাম চক্রবর্তী।
  • ৫. কবির মাতার নাম ছিল বাশুলী দেবী (মতান্তরে লহনা)।
  • ৬. রূপরাম চক্রবর্তীর দুই ভাইয়ের নাম ছিল যথাক্রমে রত্নেশ্বর চক্রবর্তী ও বিশ্বেশ্বর চক্রবর্তী।
  • ৭. জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা রত্নেশ্বরের সঙ্গে পারিবারিক বিবাদের কারণে রূপরামকে গৃহত্যাগ করতে হয়েছিল।
  • ৮. গৃহত্যাগের পর রূপরাম চক্রবর্তী ‘সাধনপুর’ গ্রামের রঘুনাথ ভট্টাচার্যের টোলে বা চতুষ্পাঠীতে পড়াশোনা করতে যান।
  • ৯. টোলে সহপাঠীদের উপহাস ও গুরুর লাঞ্ছনার শিকার হয়ে কবি এক অমাবস্যার রাতে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
  • ১০. টোল থেকে পালানোর পথে দামোদর নদের তীরে কবি অলৌকিক দেবীর দর্শন লাভ করেন।
  • ১১. কবি রূপরামের উপাস্য বা ইষ্টদেবী ছিলেন দেবী বাশুলী।
  • ১২. দেবী বাশুলীর আদেশ ও আশীর্বাদেই রূপরাম কবিত্ব শক্তি লাভ করেন এবং কাব্য রচনা শুরু করেন।

 কাব্যের পরিচিতি ও সময়কাল

  • ১৩. রূপরাম চক্রবর্তী রচিত ধর্মমঙ্গল কাব্যটি সাহিত্য সমাজে ‘অনাদিমঙ্গল’ নামে পরিচিত।
  • ১৪. রূপরামের কাব্যটি আনুমানিক সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে (১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দের আশেপাশে) রচিত হয়েছিল।
  • ১৫. গবেষক ড. সুকুমার সেন রূপরামের কাব্যের পুথি আবিষ্কার ও সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন।
  • ১৬. রূপরামের কাব্যের মূল উপাস্য দেবতা হলেন রাঢ় বাংলার লৌকিক দেবতা ‘ধর্মঠাকুর’।
  • ১৭. ধর্মমঙ্গল কাব্যকে রাঢ় অঞ্চলের জাতীয় মহাকাব্য বা ‘রাঢ়ের ইলিয়াড’ বলা হয়ে থাকে।
  • ১৮. রূপরামের কাব্যে ধর্মঠাকুরের লৌকিক রূপটি মূলত কূর্ম বা কচ্ছপাকৃতি এবং শ্বেতপাথরের শিলা রূপে বর্ণিত।

কাহিনীর চরিত্র ও উপাদান

  • ১৯. রূপরামের ‘অনাদিমঙ্গল’ কাব্যের মূল নায়ক বা প্রধান চরিত্র হলেন বীর লাউসেন।
  • ২০. কাব্যের মূল খলনায়ক চরিত্রের নাম হলো পাত্র মহামদ (যাকে কাব্যে ‘মাহুদিয়া’ বলা হয়েছে)।
  • ২১. লাউসেনের পিতার নাম ছিল কর্ণসেন এবং মাতার নাম ছিল রঞ্জাবতী।
  • ২২. রঞ্জাবতী ছিলেন গৌড়েশ্বরের (গৌড়ের রাজা) শ্যালিকা এবং মহামদের ভগিনী।
  • ২৩. পুত্রলাভের আশায় রঞ্জাবতী ধর্মঠাকুরের উদ্দেশ্যে নিজেকে শালগাছে বিঁধিয়ে ‘শালভরা’ নামক কঠোর ব্রত পালন করেছিলেন।
  • ২৪. লাউসেনের দুই স্ত্রীর নাম ছিল কানাড়া এবং কলিঙ্গা।
  • ২৫. লাউসেনের প্রধান সেনাপতি তথা বিশ্বস্ত বীরের নাম ছিল কালু ডোম।
  • ২৬. কালু ডোমের বীর পত্নীর নাম ছিল লখাই ডোমনি, যে লাউসেনের রাজ্য রক্ষায় যুদ্ধ করেছিল।
  • ২৭. কাব্যের অন্যতম প্রধান অলৌকিক ঘটনা হলো লাউসেন কর্তৃক ‘পশ্চিম উদয়ে সূর্য তোলা’।
  • ২৮. মহামদের চক্রান্তে লাউসেনকে হাকন্দ পুকুরের তীরে নিজের মাথা কেটে ধর্মঠাকুরের পুজো দিতে হয়েছিল।

সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য ও সমাজচিত্র

  • ২৯. রূপরামের কাব্যের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর তীব্র বাস্তবতাবোধ ও সমকালীন সমাজচিত্র।
  • ৩০. সমকালীন রাঢ় বাংলার চরম দারিদ্র্য ও অনাহারের ছবি রূপরাম অত্যন্ত নিপুণভাবে এঁকেছেন।
  • ৩১. রূপরামের কাব্যে অলৌকিক দেব-মহিমার চেয়ে মানবচরিত্রের সুখ-দুঃখ বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
  • ৩২. বাংলা সাহিত্যের টোলের ছাত্র ও তৎকালীন শিক্ষা ব্যবস্থার প্রথম বাস্তব বিবরণ পাওয়া যায় রূপরামের কাব্যে।
  • ৩৩. কবি পণ্ডিতী ভাষার বদলে রাঢ়ের সাধারণ মানুষের মুখের চলিত ও লৌকিক ভাষা ব্যবহার করেছেন।
  • ৩৪. কাব্যের চরিত্র চিত্রণে, বিশেষ করে মহামদের কুটিলতা প্রকাশে কবি মনস্তাত্ত্বিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
  • ৩৫. ভক্তিভাবের পাশাপাশি রূপরামের কাব্যে প্রচুর লৌকিক হাস্যরসের (Humour) উপাদান রয়েছে।
  • ৩৬. দামোদর নদের বন্যা ও তার ফলে রাঢ় অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র এই কাব্যে ফুটে উঠেছে।

তুলনা, গুরুত্ব ও বিবিধ তথ্য

  • ৩৭. ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর ঘনরাম চক্রবর্তী।
  • ৩৮. ঘনরামের কাব্য যেখানে রাজকীয় আভিজাত্যে ভরা, সেখানে রূপরামের কাব্য মাটির কাছাকাছি ও সরল।
  • ৩৯. আদি কবি হিসেবে রূপরামই প্রথম ধর্মঠাকুরের ব্রতকথাকে একটি সুসংহত সাহিত্যিক রূপ দান করেন।
  • ৪০. রূপরামের কাব্যের পুথিতে তৎকালীন বিভিন্ন লৌকিক উৎসব ও ছড়ার উল্লেখ পাওয়া যায়।
  • ৪১. রূপরামের আত্মপরিচয় অংশটি মধ্যযুগের কবিদের জীবনসংগ্রামের এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল।
  • ৪২. কবির কাব্যে গৌড় এবং ময়নাগড়ের (লাউসেনের রাজ্য) মধ্যকার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সুন্দরভাবে চিত্রিত হয়েছে।
  • ৪৩. রূপরামের কাব্যে নিম্নবর্গের মানুষ, বিশেষ করে ডোম সম্প্রদায়ের বীরত্ব ও ত্যাগের কাহিনীকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
  • ৪৪. ধর্মমঙ্গল কাব্যের দুটি প্রধান অংশ—’হরিশচন্দ্র উপাখ্যান’ এবং ‘লাউসেন উপাখ্যান’; রূপরাম লাউসেনের কাহিনীকে মূল ভিত্তি করেছেন।
  • ৪৫. রূপরামের কাব্যের পদগুলি বা ভণিতাগুলি রাঢ়ের লোকসংগীত ও গাঁথা-কাহিনীর আদলে রচিত।
  • ৪৬. ড. আশুতোষ ভট্টাচার্য রূপরামের কাব্যকে রাঢ়ের সামাজিক ইতিহাসের উপাদান হিসেবে গণ্য করেছেন।
  • ৪৭. দেবীর আশীর্বাদে কবিকে যে খাগের কলম ও দোয়াত দেওয়া হয়েছিল, তা তাঁর কবিত্ব শক্তির প্রতীক।
  • ৪৮. রূপরামের কাব্যে তৎকালীন হিন্দু ও মুসলিম সংস্কৃতির এক অপূর্ব সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়।
  • ৪৯. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রাঢ় অঞ্চলের ভূগোল ও মানচিত্র বুঝতে রূপরামের কাব্য অত্যন্ত সাহায্য করে।
  • ৫০. সংক্ষেপে, রূপরাম চক্রবর্তী হলেন মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এমন এক কবি যিনি দেবতাকে নয়, মানুষকে কাব্যের মূল চালিকাশক্তি করেছেন।

 সম্পূর্ণ নোটটি ডাউনলোড করতে

👉এখানে ক্লিক করো 👈

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *