You are currently viewing বাংলা কাব্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের অবদান || Shakti Chattopadhyay

বাংলা কাব্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের অবদান || Shakti Chattopadhyay

বাংলা কাব্য সাহিত্যে আধুনিক কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের অবদান আলোচনা করো ।

কবি– শক্তি চট্টোপাধ্যায়

জন্ম : ১৯৩৩ খ্রিঃ ২৫  নভেম্বর

জন্ম স্থান : বহড়ু , দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

মৃত্যু : ১৯৯৫  খ্রিঃ  ,২৩  মার্চ

ছদ্মনাম — রূপচাঁদ পক্ষী  ,স্ফুলিঙ্গ সমাদ্দার

পিতা  : বামানাথ চট্টোপাধ্যায়

মাতা  : কমলাদেবী


শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কাব্য বৈশিষ্ট্য—

১) বাস্তবতার সঙ্গে কল্পনার মেলবন্ধনে তার কবিতা নতুন শক্তি লাভ করেছ ।

২) যুগ যন্ত্রণা তার কাব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ।

৩)  নিসর্গ, পথ ,সমুদ্র, নারী সর্বোপরি মানুষকে ভালোবাসাই তাঁর কাব্যের মূল উপজীব্য ।

৪) তাঁর প্রথম দিকের কবিতায়  ( হাংরি আন্দোলনের সময়) মানুষের বাস্তব সমস্যা ফুটে উঠেছে ।

৫) অকপট সরলতার সঙ্গে তার কবিতায় অনেক অকাব্যিক বিষয় স্থান পেয়েছে ।


শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কাব্যসমূহ—

“হে প্রেম হে নৈঃশব্দ্য “(১৯৬১ ) ,  “ধর্মে আছো জিরাফে ও আছো” (১৯৬৬) ,”অনন্ত নক্ষত্র বীথি তুমি” ( ১৯৬৬) ,”পুরোনো সিঁড়ি “(১৯৬৬) , “সোনার মাছি খুন করেছি” (১৯৬৭) ,”হেমন্তর অরণ্যে আমি পোস্টম্যান” (১৯৬৮) , “পাড়ের কাঁথা মাটির বাড়ি” (১৯৭১) ,”প্রভু নষ্ট হয়ে যাই(১৯৭২) ,সুখে আছি (১৯৭৪) ,ঈশ্বর থাকেন জলে (১৯৭৫) ,”জ্বলন্ত রুমাল” (১৯৭৫) , “ছিন্ন বিচ্ছিন্ন “(১৯৭৫) , “সুন্দর এখানে একা নয় “(১৯৭৬) , “আমি ছিঁড়ে ফেলি ছন্দ” (১৯৭৬) ,”তন্তুজাল” (১৯৭৬) ,”এই আমি যে পাথরে” (১৯৭৭) ,কবিতার তুলো ওড়ে (১৯৭৭) , হেমন্ত যেখানে থাকে (১৯৭৭) ,পাতাল থেকে ডাকছি (১৯৭৭) , উড়ন্ত সিংহাসন (১৯৭৮) ,মানুষ বড়ো কাঁদছে (১৯৭৮) ,পরশুরামের কুঠার(১৯৭৮) ,ভাত নেই পাথর রয়েছে (১৯৭৯) , আমাকে দাও কোল (১৯৮০), আমি চলে যেতে পারি (১৯৮০) ,অঙ্গুরী তোর হিরণ্য জল (১৯৮০) ,আমি একা বড়ো একা (১৯৮০) , প্রচ্ছন্ন স্বদেশ (১৯৮০) , যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো (১৯৮২), কোথাকার তরবারি কোথায় রেখেছো (১৯৮৩) ,কক্সবাজারে সন্ধ্যা (১৯৮৪) ,ও চিরপ্রনম্য অগ্নি (১৯৮৫) ,এই তো মর্মর মূর্তি (১৯৮৭) , আমাকে জাগাও(১৯৮৯) , ছবি আঁকে ছিঁড়ে ফেলে (১৯৯১) ,জঙ্গল বিষাদে আছে (১৯৯৪)  ।

শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের অনুদিত কাব্য :

মেঘদূত ( ১৯৭২) ,গালিবের কবিতা (১৯৭৫) ,পাবলো নেরুদার প্রেমের কবিতা (১৯৭৬) ,কুমারসম্ভব কাব্য (১৯৭৬) , হাইনের প্রেমের কবিতা (১৯৭৯) ।


পুরস্কার  : আনন্দ পুরস্কার, সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার ( “যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো” কাব্য গ্রন্থের জন্য) ,মরণোত্তর রবীন্দ্র পুরস্কার  ( ছবি আঁকে ছিড়ে ফেলে কাব্য গ্রন্থের জন্য) ।

Leave a Reply